উন্নত দেশ হতে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নানা পদক্ষেপ

ঢাকা টেলিগ্রাফ: সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে আগামী অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বর্তমান মেয়াদে শেষ এবং সাধারণ নির্বাচনের আগের বাজেট।

টানা দশ বছর ধরে বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তিসহ প্রস্তাবিত বাজেটে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতা, কর্পোরেট কর হার হ্রাস, কিছু স্থানীয় শিল্পে প্রণোদনা দিয়ে শিল্পায়ন এবং ২০৪১ সালে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। আরো ১১ লাখ লোককে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনার ঘোষণা দিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে ঘোষিত বাজেট ঘোষণার আগে মন্ত্রিপরিষদ তা অনুমোদন করে।

এগিয়ে নিতে বিপুল অংকের বিনিয়োগ লক্ষ্য নিয়ে বিশাল ব্যয়ের টার্গেট করা হয়। যে কারণে বাড়ে বাজেটের আকারও। তবে বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে টাকা ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী নিজেও বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের ভাবনা আছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন হলে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।

বিগত সময়ের ন্যায় প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে মানব সম্পদ তথা শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর জন্য ৭ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা ধরলে এডিপির আকার বেড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকায় দাঁড়াবে।

মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রাক্কলন করে নতুন বাজেটে বাড়ানো হয়েছে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট। ব্যক্তি শ্রেণির আয়করের সর্বনিম্ন সীমা আড়াই লাখ টাকায় অপরিবর্তিত রেখে কমানো হয়েছে কর্পোরেট কর। তবে ভ্যাটের স্তর কমিয়ে আনায় যারা কম হারে ভ্যাট দিতেন, তাদের কিছুটা বাড়তি ভ্যাট দিতে হবে। পাশাপাশি আয় বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু খাতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। তবে রাজস্ব আদায় বাড়াতে কর হারে পরিবর্তন করা হলেও আদায়ের চ্যালেঞ্জ কিন্তু থাকছেই। নির্বাচনের বছর হওয়ায় এদিকে খুব বেশি চাপ দেওয়া যাবে না আবার চলতি বছরে আয় মুনাফার ওপর কর ও মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট খাতে অর্জন আশানুরূপ ছিল না। ফলে বছরের শেষে লক্ষ্যমাত্রায় সংশোধনী আনা হয়। এ অবস্থায় আগামী বছর রাজস্ব আদায় বাড়ানো অনেকটা অনিশ্চয়তায় রয়ে যাচ্ছে। যদিও কর আদায়ে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। কর আইনের বিভিন্ন বিধান পরিপালনের ব্যর্থতায় জরিমানা বাড়ানো হয়েছে যা সাধারণ করদাতাকে হয়রানির মুখে ফেলতে পারে।

বহুল আলোচিত ভ্যাটের হার এবারে ৫টি স্তরে বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অগ্রিম ট্রেড ভ্যাট বা এটিভি ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করায় আমদানি নির্ভর পণ্যের দাম বাড়বে। যেখানে খাদ্যপণ্য মূল্যস্ফীতিও ঊর্ধ্বমুখী। সেখানে আগামী বছর মূল্যস্ফীতির লাগাম টানা কঠিন হতে পারে। ই-কমার্সে ভ্যাট আরোপ করায় এখাত নিরুত্সাহিত হবে বলে অনেকেই মনে করছেন। সাধারণত ভ্যাট না দিয়ে কোনো পণ্য বিক্রি হয় না। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার এই সময়ে ই— কমার্স জনপ্রিয় হয় এবং তরুণরা এ ব্যবসায় ঝুঁকছে।

এদিকে, কিছু খাতে প্রণোদনাও রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সেলুলার ফোন উত্পাদনে কাঁচামালের শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। দেশে তৈরি হয় না এমন সফটওয়্যার যেমন ডাটাবেজ, প্রডাক্টিভিটি সফটওয়্যার আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাইসাইকেল, লিফস্প্রিং, টায়ার টিউব উত্পাদন, মোটর সাইকেল উত্পাদনে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে হাইব্রিড গাড়ির। ঢাকার যানজট কমাতে বিনাশুল্কে স্কুল বাস আমদানির সুযোগ ঘোষণা করা হয়েছে। ওষুধ, চামড়া, টেক্সটাইল, লৌহ ও ইস্পাত, গুঁড়া দুধ, রেফ্রিজারেটর ও কম্প্রেসার, মুদ্রণ শিল্পসহ কয়েকটি খাতে সুবিধা দিয়ে রফতানি আয়ে উেস কর বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। যা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টস খাতের রফতানি আয়ের ওপর প্রযোজ্য কর ১৫ শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে সেটা সাড়ে ১২ শতাংশ প্রযোজ্য হবে।

বাজেট কাঠামো: মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে যা জিডিপির ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। এডিপি বরাদ্দ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসহ ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। অনুন্নয়ন খাতে রাখা হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা যা জিডিপির সাড়ে ১১ শতাংশ। এই ব্যয় নিশ্চিত করতে আয়ের টার্গেট করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এরমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের মাধ্যমে কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত উত্স থেকে রাজস্ব পাওয়া যাবে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে, করবহির্ভূত খাত থেকে পাওয়া যাবে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। বাকিটা থাকবে ঘাটতি।

ঘাটতি অর্থায়ন: প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উত্স থেকে ঋণসহায়তা বাবদ প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণ (ব্যাংকসহ) প্রাপ্তির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭১ লাখ ২২৬ কোটি টাকা। অনুদান বাবদ প্রাক্কলন রয়েছে ৪ হাজার ৫১ কোটি টাকার।

রাজস্ব প্রাক্কলন: আগামী অর্থবছরে আয়কর ও অন্যান্য খাত থেকে প্রত্যক্ষ কর বাবদ ১ লাখ ২ হাজার ২০১ কোটি টাকা এবং আমদানি ও রফতানি শুল্ক বাবদ ৩২ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। ভ্যাট খাতে ১ লাখ ১০ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক খাতে ৪৮ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা আয় হবে। আবগারি শুল্ক বাবদ ২ হাজার ৯১ কোটি এবং টার্নওভার ট্যাক্স খাত ১১ কোটি টাকা আয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে।

সংশোধিত বাজেট: চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য সংশোধিত বাজেটও জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়। ঘোষিত মোট ব্যয় ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা থেকে ২৮ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা কমিয়ে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। এডিপির আকার ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকার বদলে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা করা হয়েছে।

সংশোধিত বাজেটে ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৪১ কোটি টাকা যা মূল বাজেটে ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। ঘাটতির বিপরীতে বৈদেশিক উত্স হতে অর্থায়নের প্রাক্কলন ছিল ৫১ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা যা সংশোধিত বাজেটে ৪৬ হাজার ২৪ কোটি টাকা করা হয়।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

প্রমাণ হলে বদিকেও ছাড়া হবে না: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা টেলিগ্রাফ: বদিকে সরকার ছাড় দিচ্ছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের করেন পাল্টা প্রশ্ন- বদি মাদকের গডফাদার প্রমাণ কি? তিনি বলেছেন, বদির মাদক সংশ্নিষ্টতা প্রমাণ করা গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।

আওয়ামী লীগের এমপি আবদুর রহমান বদি দেশত্যাগে কোন সমস্যা দেখছেন না আওয়ামী লীগ সাধারণ ও সেতুমন্ত্রী সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেট্রোরেলের প্যাকেজ-৭ এর চুক্তি সই অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মাদক বিরোধী অভিযান চলেছে। এতে অন্তত ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। তারা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। তবে টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যু মুহূর্তের অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই অভিযোগ করছেন বন্দুকযুদ্ধের নামে সন্দেহভাজনদের হত্যা করা হচ্ছে।

চলমান অভিযানে প্রাণহানীর ঘটনায় জাতিসংঘের অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণের অধিকার রয়েছে, তা তারা করুক। বিদেশি বন্ধুরাও চাইলে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। কিন্তু কারো চাপে বাংলাদেশ নতি স্বীকার করবে না। কারো কথায় অভিযান বন্ধ হবে না।

একরামুলের মৃত্যুতে কেউ দোষী হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, একরাম আওয়ামী লীগের কর্মী। একরামুল তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হলে যারা তাকে দোষী সাবস্ত করেছে তাদের ছাড়া হবে না। মাদক বিরোধী অভিযানে প্রাণহানী বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ১০ বিশিষ্ট নাগরিক। তাদের সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সমালোচনা করার অধিকার সকলেরই রয়েছে। তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে মাদক, তা ধ্বংস করতেই হবে।

প্যাকেজ-৭ এর চুক্তি : অনুষ্ঠানে মেট্রোরেলের (এমআরটি-৬) বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন ও ট্রেনে বিদ্যুতে সরবরাহের লাইন নির্মাণ, চলন্ত সিড়ি নির্মাণ ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ভাড়া আদায়ে ব্যবস্থাপনা নির্মাণ কাজের চুক্তি সই হয়েছে। চার হাজার ৯৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব কাজ করবে জাপান ও ভারতের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মারুবেনি-লারসেন-টুবরু।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওবায়দুল কাদের। উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওতানাবে, সড়ক নজরুল ইসলাম, মেট্রোরেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম,এ,এন ছিদ্দিক, প্রকল্প পরিচালক আফতাব উদ্দিন তালুকদার।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

জানুয়ারির মধ্যে চলে যাবে এ্যাকর্ড ও এ্যালায়েন্স

ঢাকা টেলিগ্রাফ: পৃথিবীর কোথাও ইউরোপ ও আমেরিকার ক্রেতাদের জোট এ্যাকর্ড ও এ্যালায়েন্সের কার্যক্রম নেই। বাংলাদেশেও তাদের প্রয়োজন নেই। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে দেশের পোশাক কারখানায় তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়ে চলে যাবে। এমনটাই বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আজ (বৃহঃষ্পতিবার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স এ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) সহ ৮টি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

আসন্ন ঈদুল ফিতর সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে তৈরি পোশাক শিল্পখাতের শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতাদি সময় মতো পরিশোধের বিষয়ে তাগিদ দেয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ তারিখের মধ্যে মে মাসের পূর্ণ বেতন এবং ১৪ তারিখের আগে বোনাস পরিশোধ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের আগে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা চলবে না। শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না। এ্যকর্ড-এ্যালায়েন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। উন্নত কোনো দেশেই এদের ঢুকতে দেয়া হয় না। বাংলাদেশ একটা মর্যাদাকর দেশে, এদেশে তাদের আর ঠাঁই নেই।

রানা প্লাজার ধ্বস এবং তাজরীন গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডে কয়েকশ শ্রমিক নিহতের প্রেক্ষাপটে ইউরোপ এবং আমেরিকার ক্রেতাদের দুটি জোট এ্যাকর্ড ও এ্যালায়েন্স বাংলাদেশ সরকার এবং গার্মেন্টস মালিকদের সাথে একটি চুক্তি করেছিল। তারা দেশের পোশাক কারখানাগুলো পরিদর্শন করে, বিভিন্ন পরামর্শ দিতো। সে অনুযায়ী এ্যালায়েন্স ইতমধ্যেই তাদের কাজ শেষ করেছে আর চলতি বছর মে মাসে শেষ হবে এ্যাকর্ডের কাজ।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

মালয়েশিয়া ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়ার চুক্তি পর্যালোচনা করবে

ঢাকা টেলিগ্রাফ: বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়ার যে চুক্তি ছিল তা পর্যালোচনা করবে মালয়েশিয়া। এ ছাড়া বিদেশি শ্রমিকের নির্ভরতা কমিয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে দেশিয় শ্রমিকদের এবং বেতন ভাতা বাড়ানো হবে। আজ বৃহস্পতিবার ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোর্ট পরিদর্শন করে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী এম কুলাসেগারান।

সংবাদ মাধ্যম নিউ স্টেইটস টাইমস বলছে, দেশটির মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী এম কুলাসেগারান বলেছেন, বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে চাইছে সরকার। আর সেই সঙ্গে স্থানীয়দের বেতন বাড়াতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই সব কিছুই পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।’

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি শ্রমিকদের দেশে পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে কিছু সময় লাগবে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে যারা বৈধ কাজ করছেন তাদেরকে দেশ ছাড়তে হবে না।’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘এক সময় যে চাকরিগুলো বিদেশিরা করতেন সেখানে শূন্য পদ সৃষ্টিতে কাজ করবে সরকার। এসব শূন্যপদ পূরণ করে মালয়েশীয়দের নতুন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যদি আপনি নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া যান তাহলে সেখানে কোনো বিদেশি শ্রমিক পাবেন না। আমাদেরও তাই করতে হবে।’

২০১৬ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকার একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এতে বলা হয়, তিন বছরের মধ্যে ১৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া।

গত ৯ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৯৫৭ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ন্যাশনাল ফ্রন্টের পতন হয়। ওই জোটের নেতৃত্বে ছিলেন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। নির্বাচনে মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন জোট ‘অ্যালায়েন্স অব হোপ’ জয়লাভ করে। এক সময় এই জোট থেকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন মাহাথির।

নাজিবের আমলে করা এই সমঝোতা চুক্তিকে আবার পর্যালোচনা করা হবে। চার দিন আগে এই মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান এম কুলাসেগারান। নির্বাচনের আগে মাহাথিরের দল অঙ্গীকার করেছিল বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় কর্মশক্তিকে কাজে লাগানো।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট: বিক্রি শুরু ১ জুন

ঢাকা টেলিগ্রাফ: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হবে ১ জুন থেকে। চলবে ৬ জুন পর্যন্ত। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ জুন, চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবার রেলভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ১৬ জুন ঈদের সম্ভাব্য দিন ধরে ১ জুন থেকে টিকেট বিক্রির সূচি ঠিক করা হয়েছে।

সে হিসেবে ঈদে বাড়ি গমনেচ্ছু যাত্রীদের ১ জুন দেয়া হবে ১০ জুনের (রবিবার) টিকিট। ২ জুন দেয়া হবে ১১ জুনের (সোমবার), ৩ জুন দেয়া হবে ১২ জুনের (মঙ্গলবার), ৪ জুন দেয়া হবে ১৩ জুনের (বুধবার), ৫ জুন দেয়া হবে ১৪ জুনের (বৃহস্পতিবার) এবং ৬ জুন দেয়া হবে ১৫ জুনের (শুক্রবার) টিকিট।

আর ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফেরত যাত্রীদের ১০ জুন দেয়া হবে ১৯ জুনের, ১১ জুনে দেয়া হবে ২০ জুনের, ১২ জুনে ২১ জুনের, ১৩ জুনে ২২ জুনের, ১৪ জুনে ২৩ জুনের এবং ১৫ জুনে দেওয়া হবে ২৪ জুনের ফিরতি টিকিট।

ঢাকার কমলাপুরের পাশাপাশি বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম সিলেট, খুলনা, যশোর ঈশ্বরদী, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাটসহ বড় স্টেশনগুলো থেকেও অগ্রিম টিকেট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুজিবুল হক।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

ঢাকা ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

ঢাকা টেলিগ্রাফ: ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, ইর্মাজিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (ইসিআরএল) রেটিং অনুযায়ী কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ’।আর স্বল্পমেয়াদী ঋণমান হয়েছে (এসটি-২)। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে এই রেটিং করা হয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অব্যাহত মাদকবিরোধী অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা টেলিগ্রাফ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে হলে যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি তিন হাজারের অধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

বুধবার দুপুরে র‌্যাব-৬ সদর দফতরে বনদস্যু ও জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনার নির্দেশে সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদকমুক্ত দেশ গড়তে আইন-শৃংখলা বাহিনীতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, খুব দ্রুত সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা দেশকে মাদকমুক্ত করবোই। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশকে জঙ্গি, মাদক ও জলদস্যু-বনদস্যুমুক্ত করতে হবে। আর এ প্রত্যয়ে র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিটি ইউনিট কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। অতি শিগগিরই সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যু মুক্ত ঘোষণা করা হবে।’

দীর্ঘদিনের দস্যুতার জীবন ছেড়ে স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনের প্রত্যয় নিয়ে খুলনার লবণচরাস্থ র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে দুপুরে সুন্দরবনের ছয় কুখ্যাত জলদস্যু-বনদস্যু বাহিনীর ৫৭ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এরা হলেন- র‌্যাব-৬ এর আওতাধীন দাদা ভাই বাহিনীর ১৫ জন, হান্নান বাহিনীর ৯ জন এবং আমির আলী বাহিনীর ৭ জন। অপরদিকে র‌্যাব-৮ এর আওতাধীন সূর্য বাহিনীর ১০ জন, ছোট সামসু বাহিনীর ৯ জন এবং মুন্না বাহিনীর ৭ জন।

এসময় আগে র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণকারী সাবেক ৫৮ জন জলদস্যু ও বনদস্যুর প্রত্যেককে পুনর্বাসন জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত এক লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মো. মোজাম্মেল হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, নৌপুলিশের ডিআইজি শেখ মো. মারুফ হাসান, র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক আতিকা ইসলাম, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান এবং খুলনা জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন র‌্যাব-৬ এর পরিচালক খন্দকার রফিকুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, কেসিসির নব-নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক আওরঙ্গজেব চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ছয়জন সদস্য। সূত্র: অনলাইন।

DH-RH

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

ভিএফএস থ্রেড ডাইং’য়ের আইপিও আবেদনের তারিখ ঘোষণা

ঢাকা টেলিগ্রাফ: প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনের তারিখ ঘোষণা করেছে সদ্য এর অনুমোদন পাওয়া ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেড। ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী কোম্পানিটির আইপিও’তে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন আগামী ২৪ জুন থেকে ২ জুলাইন পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট সূ‌ত্রে এ তথ্য জানা গে‌ছে।

এর আ‌গে (৩ এপ্রিল ২০১৮) দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তার ৬৩৮ তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ২২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। যার অংশ হিসেবে কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে ২২ কোটি টাকা তুলবে। এ টাকা দিয়ে কোম্পানিটি প্ল্যান্ট ও মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত অর্থ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৯.৯০ টাকা। এ সময়ের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২.০২ টাকা।কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সিটিজেন সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

বেসিক ব্যাংক দুর্নীতি মামলা: তদন্ত কর্মকর্তাদের তলব

ঢাকা টেলিগ্রাফ: বেসিক ব্যাংক দুর্নীতি মামলাগুলোর সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩০ মে সব মামলার নথি নিয়ে তাদেরকে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খুরশীদ আলম বলেন, আইন অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে এসব মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু প্রায় আড়াই বছর হয়ে গেছে। এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। এর কারণ ব্যাখ্যার জন্য তাদের তলব করা হয়েছে। বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে ২০১৫ সালের ২১-২৩ সেপ্টেম্বর ১৫৬ জনকে আসামি করে মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় ৫৬টি মামলা করে দুদক।

১৫৬ জন আসামির মধ্যে বেসিক ব্যাংকের কর্মকর্তা ২৬ জন। বাকি ১৩০ জন আসামি ঋণগ্রহীতা ৫৪ প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী ও সার্ভে প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে ব্যাংকের সাবেক এমডি কাজী ফখরুল ইসলামকে ৪৮টি, ডিএমডি ফজলুস সোবহানকে ৪৭টি, কনক কুমার পুরকায়স্থকে ২৩টি এবং ডিএমডি এ মোনায়েম খানকে ৩৫টি মামলায় আসামি করে দুদক। পরবর্তীতে আরও মামলা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক।

DH-RH

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন

পূবালী ব্যাংকের নতুন বোর্ড মিটিংয়ের তারিখ ঘোষণা

ঢাকা টেলিগ্রাফ: নতুন করে বোর্ড মিটিংয়ের তারিখ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি পূবালী ব্যাংক লিমিটেড। এর আগেও কোম্পানিটি এই বোর্ড বিডিংয়ের তারিখ ঘোষনা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে স্থগিত করা হয়। আর এটি সেই স্থগিত বোর্ড মিটিংটি আগামী আগামী ৩০ মে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে পূবালী ব্যাংকের বোর্ড মিটিং (সোমবার, ১৪ মে) বিকাল সাড়ে ৪টায় ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণবশত এ মিটিং স্থগিত করে পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানির সেই বোর্ড মিটিংটি আগামী ৩০ মে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।

৩১ মার্চ ২০১৮ সমাপ্ত সময়ের প্রথম প্রান্তিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার করার কথা রয়েছে এই বোর্ড মিটিংয়ে।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন