আজকের দিন তারিখ ২২ জুন, ২০১৮ ইং, শুক্রবার, ৮ আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৭ শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী, দুপুর ১:২৭
সর্বশেষ সংবাদ
IPO, কোম্পানি সংবাদ, শেয়ার বাজার ওইম্যাক্সের আইপিও’তে আবেদন শুরু

ওইম্যাক্সের আইপিও’তে আবেদন শুরু


পোস্ট করেছেন: ঢাকা টেলিগ্রাফ | প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৭ , ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: IPO,কোম্পানি সংবাদ,শেয়ার বাজার


ঢাকা টেলিগ্রাফ: আজ ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে ওইম্যাক্স ইলেকট্রোড লিমিটেডের প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও)। এই আবেদন চলবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর আগে চলতি বছরের (২০১৭) ৯ মে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬০৪তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা যায়, পুঁজিবাজারে ১০ টাকা দরে ১ কোটি  ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড। আর উত্তোলিত টাকা দিয়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

৩০ জুন, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩ পয়সা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা।

প্রকৌশল খাতের ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড লিমিটেডের ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১০ শতাংশ বেড়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৪৩ টাকা।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ তিন মাসে (জানুয়ারি’১৭-মার্চ’১৭) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৬ টাকা।

এছাড়া চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’১৬ থেকে সেপ্টেম্বর’১৬) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’১৬-ডিসেম্বর’১৬) ইপিএস হয়েছে ০.৫৪ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৪ টাকা।

কোম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয় না। কোম্পানিটি বছরে ৭ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে।

কোম্পানিটি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড, জিআই ওয়্যার এবং নেইল (পেরেক) উৎপাদন করে। ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি মোট ৪১ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোড থেকে আয় এসেছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বা ১৪ শতাংশ, জিআই ওয়্যার থেকে এসেছে ১৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ এবং পেরেক বিক্রি থেকে আয় এসেছে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ৫১.৫২ শতাংশ। কোম্পানিটির ইস্যু ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন