আজকের দিন তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং, শনিবার, ৭ আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১১ মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী, রাত ১১:৪২
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থনীতি, জাতীয়, প্রধান সংবাদ লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিজেএমসি‘কে বন্ধ করে দেয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিজেএমসি‘কে বন্ধ করে দেয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: ঢাকা টেলিগ্রাফ | প্রকাশিত হয়েছে: মার্চ ৭, ২০১৮ , ৭:১০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: অর্থনীতি,জাতীয়,প্রধান সংবাদ


ঢাকা টেলিগ্রাফ: লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) একেবারে বন্ধ করে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থ বিভাগ এবং আর্থিক প্রতিণ্ঠান বিভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির স্মরণিকা ‘প্রয়াস’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। গত সোমবার বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘পাট নিয়ে অর্থমন্ত্রী নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। অর্থমন্ত্রীর এ নেতিবাচক মনোভাবের প্রভাব অর্থ মন্ত্রণালয়েও পড়েছে। ফলে পাটের বিকাশ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।’

পাট প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত। সুতরাং এটার ব্যাপারে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। অসুবিধা যেটা আমাদের হয়, পাটকে আমরা রিভাইস করতে চাই। পাটের একটা নতুন বাজারও সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু রিভিশনের প্রক্রিয়াটা আমার ভালো লাগছে না।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় ওল্ড বিজেএমসি’র এক্সিসটেন্সের (অস্তিত্ব) কোন প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। আমি তাদের (বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়) বলেছি বিজেএমসির কোন জায়গা নেই এই নতুন ব্যবস্থায়।’

এ সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, স্যার আপনি (অর্থমন্ত্রী) তো সম্প্রতি পলিসি সাপোর্ট দিয়েছেন। যেটা আমার মাধ্যমে হয়েছে। কাঁচা পাটের ব্যবসা এক সময় বন্ধ করে দিয়েছিল, আপনি পলিসি সাপোর্ট দিয়ে সেগুলো বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। তারপরও এই মন্তব্যটা করা আসলে ঠিক হয়নি।

এ পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পাটে আমাদের ইনভেস্টমেন্ট কত আছে! ইনিশিয়ালি যখন বিজিএমসি হল তখন কয়েক হাজার টাকা দিয়েছি, এরপর প্রত্যেক বছরে ৪০০- ৫০০ কোটি টাকা করে দেয়া হয়েছে। এরপরও তারা আনসাটিসফাইড হাঙ্গার ফর মানি।

পাট খাতকে এগিয়ে নেয়ার প্রথম পরামর্শ কী- এ প্রশ্নের জবাবে এ মন্ত্রী বলেন, ফার্স্ট পরামর্শ অ্যাবোলিশ দি বিজেএমসি। দ্যাট উইল বি গুড ফর দ্য জুট সেক্টর।

এ সময় অর্থ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, বিজেএমসির সিজনাল কর্মচারী থাকার কথা ৫০ শতাংশ, আর ৫০ শতাংশ স্থায়ী। যেহেতু এটার সিজনাল ইয়ে আছে। ওরা ৯০ শতাংশ স্টাফকে স্থায়ী করে ফেলেছে। এরপর অর্থমন্ত্রী বলেন, (বিজেএমসির) ম্যানেজমেন্ট ইজ হরিবল অ্যান্ড দ্যাটস হোয়াই আই ডিজলাইক দেম।’

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন