আজকের দিন তারিখ ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, শনিবার, ১ পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৭ রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, দুপুর ২:০৫
সর্বশেষ সংবাদ
আইন-আদালত, জাতীয়, প্রধান সংবাদ বিমান ত্রুটির মামলা থেকে ১১ জনকে অব্যাহতি

বিমান ত্রুটির মামলা থেকে ১১ জনকে অব্যাহতি


পোস্ট করেছেন: ঢাকা টেলিগ্রাফ | প্রকাশিত হয়েছে: এপ্রিল ৪, ২০১৮ , ৫:০০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আইন-আদালত,জাতীয়,প্রধান সংবাদ


প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটির মামলা থেকে বাংলাদেশ বিমানের সাত কর্মকর্তাসহ ১১ জনকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন করে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।

বুধবার, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদশর্ক মাহবুব অালমের দাখিল করা ফাইনাল রিপোর্টটি গ্রহণ করে ১১ অাসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

একইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার জন্য বিমানের প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলার আদেশ দিয়েছেন আদালত। নতুন মামলায় আসামি হবেন বিমানের প্রকৌশলী নাজমুল হক, টেকনিশিয়ান সিদ্দিকুর রহমান, জুনিয়ার টেকনিশিয়ান শাহ আলম। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস জানান, ‘রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার মামলা থেকে ১১ আসামির সবার অব্যাহতির আবেদন গ্রহণ করে এই তিনজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৮৭ ধারায় মামলা করতে তদন্ত কর্মকর্তাকে অনুমতি দিয়েছন আদালত’।

অন্যদিকে, বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (প্রডাকশন) দেবেশ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) এসএ সিদ্দিক, প্রধান প্রকৌশলী (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড সিস্টেম কন্ট্রোল) বিল্লাল হোসেন, প্রকৌশল কর্মকর্তা এসএম রোকনুজ্জামান, সামিউল হক, লুৎফর রহমান, মিলন চন্দ্র বিশ্বাস ও জাকির হোসাইনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার মামলার সব আসামি জামিনে রয়েছেন। এদের মধ্যে নাজমুল হক হাই কোর্ট থেকে এবং বাকি ১০ জন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

২০১৬ সালের ২৭শে নভেম্বর হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তুর্কেমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাতে জরুরি অবতরণ করে। ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ওই বছরের ১৮ই ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। এর আগে, ৩০শে নভেম্বর বাংলাদেশ বিমানের ছয় কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই বছরের ২০শে ডিসেম্বর, বাংলাদেশ বিমানের প্রধান প্রকৌশলীসহ ৯ জনকে আসামি করে বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়েল ম্যানেজমেন্ট) উইং কমান্ডার (অব.) এম এম আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(গ) ধারায় করা ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, বিভাগীয় তদন্তে এই কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে “পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি নিয়া অবহেলামূলক আচরণ করতঃ অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রম করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে গেলো বছর ৭ই ডিসেম্বর, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জমা দেয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অন্তর্ঘাতমূলক কার্যক্রমের অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে সবার অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

আপনাদের মতামত প্রকাশ করুন