বারমাসী থাই পেয়ারার বাম্পার ফলন

রহিম রেজা, ঝালকাঠি থেকে: ঝালকাঠিতে বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে ওঠা থাই পেয়ারার বাগানগুলো এখন থোকা থোকা পেয়ারার ভারে নুয়ে পড়েছে। সারি সারি পেয়ারা গাছের সবুজ পেয়ারা এখন পরিপক্ক হয়ে সাদা রং ধারন করেছে। এ বছর পেয়ারার বাম্পার ফলনে খুশি বাগান মালিকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলন হয়েছে। আগে থেকেই দেশি পেয়ারা চাষে সুনাম রয়েছে ঝালকাঠির চাষিদের।

এবার থাই পেয়ারা চাষেও ব্যপক সাফল্য পেয়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিক ভাবে ও পতিত জমিতে থাই পেয়ারা চাষে দিনদিন আগ্রহ বাড়ছে। জেলার চার উপজেলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত থাই পেয়ার বাগান রয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলার শেখের হাট ইউনিয়নের গাবখান নদী তীরবর্তী শিরযুগ এলাকায় রয়েছে সবচেয়ে বড় বাগানটি। এখানে ৪০ বিঘা জমির ওপরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দন পেয়ারা বাগানটি এখন এলাকাবাসীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। এছাড়া বিনয়কাঠি ইউনিয়নের মানপাশা এলাকায় ২০ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে আরো একটি বাগান। গত দুই বছর আগে ৬০ বিঘা জমিতে ১৫ হাজার থাই পেয়ারর চারা রোপন করেন চার উদ্যোক্তা।

এসব বাগান এখন টসটসে থাই পেয়ারায় পরিপূর্ন। ঝালকাঠিতে সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উচ্চ শিক্ষিত চার যুবক বাগান দুটি গড়ে তোলেন। তারা হলেন, সাবেক ছাত্রনেতা লস্কর আশিকুর রহমান দিপু, প্রভাষক মো. কামাল হোসেন, প্রভাষক গোলাম মুর্তুজা ও আইনজীবী সোহেল আকন। বাগান মালিক আশকুর রহমান দিপু জানান, ‘জমি সংগ্রহ করে বাগান তৈরী, পরিচর্যা ও পেয়ারা সংগ্রহ করে বাজারজাত করা পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে আমাদের। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি পেয়ারা ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আমাদের বাগানে যে পরিমান ফল রয়েছে তার বর্তমান বাজার মূল্যে প্রায় দেড় কোটি টাকা। পেয়ারগুলো ৩-৪ ধাপে সংগ্রহ করে বিক্রি করা হবে। এখানে স্থানীয় ২২ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে বাগান সম্প্রসারন করে আরো বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। পাশাপাশি যারা বাগান করতে আগ্রহি তাদেরকেও পরামর্শ দিচ্ছি আমরা।’

বাগান মালিক গোলাম মুর্তুজা জানান, ‘দেশি পেয়ারা মূলত বর্ষা মৌসুমের ফল। তবে থাই পেয়ারার গাছ থেকে গ্রীস্মের শুরুতেই ফল পাওয়া যায়। বর্তমানে থাই পেয়ারার বাজারে ভাল চাহিদা রয়েছে। আমাদের বাগান থেকে ইতিমধ্যেই পেয়ারা বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করছেন ব্যবসায়িরা। পেয়ারগুলো বিষমুক্ত, স্বাস্থ্য সম্মত ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এর ব্যপক চাহিদা রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘একবার বাগান তৈরী করে অল্প পরিচর্যায় ৫-৭ বছর ভালো ফলন পাওয়া যায়। এতে সার ও কিটনাশকের তেমন প্রয়োজন হয় না। খরচ বাদে এ বছর আমাদের কোটি টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘আমি বাগানগুলো পরিদর্শন করছি। খুব ভালো ফলন হয়েছে এবং পেয়ারগুলো অত্যান্ত সুস্বাদু। ঝালকাঠিতে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় অর্ধশত থাই পেয়ারার বাগান রয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে আমরা তাদের সব সময় পরামর্শ প্রদান করেছি।

রাত জাগলেই শরীরের মারাত্মক ক্ষতি পারে

রাত জাগলেই শরীরের মারাত্মক ক্ষতি পারে। ফেসবুক, হোয়্যাটসঅ্যাপে গল্প এবং আরও নানা কারণে ক্রমশ বেশি রাতের দিকে ঘুমের প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি প্রকাশনায় বলা হয়, একজন সুস্থ মানুষ প্রতি ৯০ মিনিট পর পর ঘুমের গভীর থেকে গভীরতর ধাপের দিকে যায়। যার মধ্যে সবচেয়ে গভীর ঘুমের সময় মানুষের ফিজিওলজিক্যাল পরিবর্তন আনে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অনিয়মিত ঘুমের কারণে ঘুমে বিঘ্ন ঘটে, ফলে মানুষ গভীর ঘুমের ধাপ পর্যন্ত যেতেই পারে না। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। অনেকে হয়তো রাতে বারে বারেই জেগে ওঠেন।

কিন্তু তাই বলে ভোরে উঠে অফিস বা স্কুল–কলেজে যাওয়ার সময় তো আর পাল্টে যাচ্ছে না। ফলে কম ঘুমিয়েই ভোরে উঠে ছুটতে হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে। কিন্তু এর ফলে যে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, সেটা জানেন কি?‌ আসুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক কী কী অসুবিধা হতে পারে।

 ⇒ আচমকাই বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপ। ক্রমে উচ্চ রক্তচাপের অসুখ ক্রনিক হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর যদি আগে থেকেই ক্রনিক উচ্চ রক্তচাপ থেকে থাকে, তাহলে সেটা আরও জাঁকিয়ে বসতে পারে শরীরে।

⇒ ওজন বাড়ার অন্যতম বড় কারণ দিনে আট ঘণ্টা ঘুম না হওয়া। ঘুম কম হলে খিদে বাড়ানোর হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক পরিমাণে খেলেও ওজন বাড়তে থাকে।

⇒ ‌এই হরমোনের কারণেই কম ঘুমোলে ত্বকের ঔজ্বল্য কমে যায়।

⇒ কম ঘুমোলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সর্দি কাশি হজমের গণ্ডগোল ধরে যায় খুব সহজে। আর একবার হলে সহজে সারে না।

⇒ খুব কম ঘুমোলে প্রজনন ক্ষমতাও কমে যায়।

ভাইরাসকে ধ্বংস করতে আসছে ন্যানো অ্যান্টিবায়োটিক

স্বাস্থ্য বিষয়ক: ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা  ন্যানো অ্যান্টিবায়োটিকের প্যাটার্ন আবিষ্কার  করেছেন যা বৃহৎ পরিসরের ভাইরাসকে আটকে ফেলতে পারবে। এর মানে হল ন্যানোকণা ভাইরাসটিকে মেরে ফেলতে পারবে। ভাইরাস জনিত সংক্রমন প্রত্যেক বছর বিশ্বের মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষের জীবন কেড়ে নেয়।

বাজারে যেসকল অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে তা কেবলমাত্র অল্প সংখ্যক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। স্বল্প সংখ্যক বৃহৎ পরিসরের অ্যান্টিবায়োটিক বাজারে বর্তমান রয়েছে যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরি। কিন্তু সময় বাড়ার সাথে সাথে অ্যান্টিবায়োটিক বাড়তি ডোজে নিতে হয় যা শুধু স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়।

তাছাড়াও ভাইরাস মিউটশনের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

বিশ্বের বিখ্যাত একটি গবেষকদের দল যার মধ্যে ইউআইটির রসায়নের প্রফেসর পিটার কার্ল অন্যতম, তিনি আন্টিবায়োটিকের প্যাটার্ন তৈরি করেন যা বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের ভাইরাসকে আটকে ফেলতে পারে। যার মধ্যে হার্প সিমপ্লেক্স ভাইরাস, প্যাপিলেমো ভাইরাস, ডেঙ্গু, লেন্টি ভাইরাস অন্যতম। নতুন ন্যানোকণা কোষের উপরিতলের প্রোটিনের সংশ্বর্পে থাকবে যার নাম হেপারিন সালফেট প্রোটোগ্লাইকন।

এইচআইভি এইডস সুস্থ্য কোষের ভিতরে প্রবেষ ও আক্রমন করে কোষ উপরস্থ এইচএসপিজিকে আটকে ফেলে।কিন্তু প্যাটার্ন পরির্বতনের কারনে এইডস ভাইরাস এইচএসপিজিকে আটকে রাখতে পারে না।

কার্ল ও তার অণুসারীরা এইচএসপিজির উপর ভিত্তি করে অ্যান্টিবায়োটিককে নতুন ভাবে বিন্যাস করতে সমর্থ হন,যা ভাইরাসকে আরও শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে ফলে ভাইরাস বিনষ্ঠ হয়ে যাবে।

কিডনি বিকল করে দিতে পারে কামরাঙ্গা

 ঢাকা টেলিগ্রাফ: কামরাঙ্গা একটি টক জাতীয় ফল। এই ফলে আছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস,সামান্য পরিমাণে সুগার, সোডিয়াম, এসিড ইত্যাদি। Carambola বৈজ্ঞানিক নামের এই ফলটি ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-প্রশান্ত এবং পূর্ব-এশিয়া অংশে খুব জনপ্রিয়।

কিন্তু কামরাঙ্গাতে আছে এমন একটি উপাদান যা মানবদেহের মস্তিষ্কের জন্য বিষ। সাধারণ মানুষেরা কামরাঙ্গা খেলে, কিডনি তা শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি রোগীর দুর্বল কিডনি শরীর থেকে এই বিষ বের করে দিতে সক্ষম নয়। এর ফলে তা রক্ত থেকে আস্তে আস্তে দেহের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে এবং বিষক্রিয়াও ঘটাতে পারে।

এই সমস্যার লক্ষণগুলো হল- ক্রমাগত হেঁচকি দেয়া, দেহ দুর্বল হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, মাথা কাজ না করা, দেহে মৃগী রোগীর মত কাঁপুনি উঠা, কোমায় চলে যাওয়া ও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু। কামরাঙ্গা খাওয়ার পর কিডনী রোগীর মধ্যে এই ধরণের লক্ষন গুলো দেখা দেয়।

বহুবছর আগে থেকেই বিজ্ঞানীরা জানতেন যে, কামরাঙ্গাতে এমন একটি উপাদান আছে যা কিডনি রোগীর জন্য খুব ক্ষতিকর। কিন্তু কোন বিজ্ঞানীই এই ক্ষতিকর উপাদানটি বের করতে পারেননি। সম্প্রতি University of Sao Paulo (Brazil) এর একদল বিজ্ঞানী এই ক্ষতিকর উপাদানটি বের করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা কামরাঙ্গার এই ক্ষতিকর উপদানটির নাম দিয়েছেন caramboxin।

আসুন কামরাঙ্গার আর কিছু অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই:

১) বিভিন্ন গবেষণায় জানা যায়, কামরাঙ্গা কিছু কিছু মানুষের জন্য খুব খারাপ পরিণতির কারণ হতে পারে। কারণ এটি খুব সহজে শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায়।

২) কামরাঙ্গা মানুষের মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে যা পরবর্তীতে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে। এই বিষক্রিয়াকে নিউরোটক্সিন নাম দেয়া হয়।

ধনে পাতায় রয়েছে সাধারণ কিছু  গুণ

 ঢাকা টেলিগ্রাফ: ধনে পাতা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি তৃণ জাতীয় খাবার।  ধনে পাতায় রয়েছে সাধারণ কিছু  গুণ। এতে রয়েছে ১১ জাতের এসেনশিয়াল অয়েল, ৬ ধরণের অ্যাসিড (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড যা ভিটামিন ‘সি’ নামেই বেশি পরিচিত), ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য উপকারী পদার্থ। এছাড়া এতে রয়েছে ফাইবার, ম্যাংগানিজ, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘কে’, ফসফরাস, ক্লোরিন এবং প্রোটিন।

ধনে পাতাকে আমরা সালাদ এবং রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করে থাকি।এবার জানুন ধনে পাতার অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে:

১. ধনে পাতা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমে যায়, ভাল কোলেস্টরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

২. হজমে উপকারী, যকৃতকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে, পেট পরিষ্কার হয়ে যায় ধনে পাতা খেলে।

৩. ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্যে ধনে পাতা বিশেষ উপকারী। এটি ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং রক্তের সুগারের মাত্রা কমায়।

৪. ধনে পাতায় থাকা অ্যান্টি-সেপটিক মুখে আলসার নিরাময়েও উপকারী, চোখের জন্যেও ভাল।

৫. ঋতুস্রাবের সময় রক্তসঞ্চানল ভাল হওয়ার জন্যে ধনে পাতা খেলে উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা আয়রন রক্তশূন্যতা সারাতেও বেশ উপকারী।

৬. ধনে পাতার ফ্যাট স্যলুবল ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন ‘এ’ ফুসফুস এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

৭. এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা বাতের ব্যথাসহ হাড় এবং জয়েন্টের ব্যথা উপশমে কাজ করে।

৮. স্মৃতিশক্তি প্রখর এবং মস্তিস্কের নার্ভ সচল রাখতে সাহায্য করে ধনে পাতা।

৯. ধনে পাতার ভিটামিন ‘কে’ অ্যালঝেইমার রোগের চিকিৎসায় বেশ কার্যকরী।

১০. ধনে পাতায় উপস্থিত সিনিওল এসেনশিয়াল অয়েল এবং লিনোলিক অ্যাসিড থাকে যার মধ্যে অ্যান্টিরিউম্যাটিক এবং অ্যান্টি-আর্থ্রাইটিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এরা ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে।

১১. ডিসইনফেকট্যান্ট, ডিটক্সিফাইং বা বিষাক্ততা রোধকারী, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকার কারণে এরা বিভিন্ন স্কিন ডিজঅর্ডার বা ত্বকের অসুস্থতা (একজিমা, ত্বকের শুষ্কতা এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন) সারাতে সাহায্য করে। ত্বক সুস্থ ও সতেজ রাখতে তাই ধনে পাতার উপকারিতা অনেক।

১২. ক্যালসিয়াম আয়ন এবং কলিনার্জিক বা অ্যাসেটিকোলিন উপাদান মিলে আমাদের শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

১৩. অ্যান্টি হিস্টামিন উপাদান থাকায় এরা অ্যালার্জি বা এর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে দূরে রাখে।

১৪. খাবারের মাধ্যমে সৃষ্ট সবচেয়ে ভয়াবহ রোগ সালমোনেলা। ধনে পাতায় উপস্থিত ডডেসিনাল উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে সালমোনেলা জাতীয় রোগ সারিয়ে তুলতে অ্যান্টিবায়টিকের থেকে দ্বিগুণ কার্যকর।

১৫. এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিইনফেকসাস, ডিটক্সিফাইং, ভিটামিন ‘সি’ এবং আয়রন গুটিবসন্ত প্রতিকার এবং প্রতিরোধ করে।

১৬. বিভিন্ন ভেষজ পদার্থের সাথে মিশিয়ে যৌনশক্তি বৃদ্ধি করতে ধনে পাতার উপকারিতা অনেক।

১৭. কারও মুখে যদি দুর্গন্ধ হয় ও অরুচি লাগে তাহলে ধনে ভাজা করে বোতলে ভরে রাখুন। মাঝে মাঝে চিবিয়ে খান মুখে দুর্গন্ধ থাকবে না।

১৮. কারও মাথাব্যথা হলে ধনে পাতা ও গাছের রস কপালে লাগান। মাথাব্যথা কমে যাবে।

১৯. ধনে পাতা চিবিয়ে দাঁত মাজলে দাঁতের মাড়ি মজবুত হয় এবং দাঁতের গোড়া হতে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

জিমে যাওয়া ছাড়াই ফিট থাকার উপায়!

স্বাস্থ্য বার্তা: কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই জিমে যাবার সময় হয়ে উঠে না। তাছাড়া, অনেকেই আবার জিমে যাওয়া পছন্দ করে না। জিমে যেয়ে অনেকের বিরক্তিকরও লাগে। ভারী ভারী জিনিস তুলে পরিশ্রম করতে ভালো লাগে না। তাহলে জিম বাদ দিয়ে নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো চেষ্টা করে দেখতে পারেন-

১. সাঁতার কাটা:
আপনি হয়ত বেশী মানুষ থাকার ফলে পুলে সাঁতার কাটতে পছন্দ করেন না। পানি বাতাসের চেয়ে ১২ গুণ ঘন বর্নায় জার ফলে পানিতে থাকার ফলে শরীরের ক্যালরি পুড়ে যায় এবং পেশী শক্তিশালী হয়। যাদের শরীরে বিভিন্ন ক্ষত ও বাতের ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদেরকে সাঁতার করার জন্য ডাক্তারি উপদেশ দেয়া হয়।

২. গৃহস্থালির কাজ করা:
ওজন কমানোর জন্য সব থেকে ভালো উপায় হল ঘরের সব কাজ নিজে করা। বিশেষভাবে ঘর ঝারু দেয়া ও মুছা। আপনি একদিনে ১৫৩ ক্যালরি পর্যন্ত পুড়াতে পারবেন, মাত্র ৩০ মিনিট গৃহস্থালির কাজ করলে। বাড়িতে সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করুন। এতে আপনার শরীরের মেদ কমে যাবে।

৩. দৌড়িয়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠানামা করুন:
যারা জিমে যেয়ে পায়ের পেশী আরও শক্তিশালী করতে চান, তারা সিঁড়ি দিয়ে দৌড়িয়ে ওঠানামা করুন। এতে মাত্র আধা ঘণ্টাতেই ৪২২ ক্যালরি পর্যন্ত পুড়ে যায়।

তবে অবশ্যই সাবধানতার সাথে দৌড়াতে হবে। যাতে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। দৌড়ানোর সময় পায়ের পাতার তুলনায় পায়ের পেশীতে বেশী চাপ প্রয়োগ করুন। অবশ্যই দৌড়ানো শেষ হবার পর কিছু সময় স্ট্রেচিং করুন।

৪. সাইকেল চালানো:
পায়ের পেশী বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার জন্য সাইকেলের ভূমিকা অনেক। এর জন্যই জিমে সাইকেলিং মেশিন থাকে। আপনি যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন, সাইকেল পেট্রোলের খরচ বাচায় ও পরিবেশকে রক্ষা করে। তাই আপনি অফিসে যাতায়াত কালে সাইকেলের ব্যাবহার শুরু করতে পারেন।

৫. ব্যায়ামের ভিডিও:
ব্যায়ামের ভিডিও দেখে ঘরে বসে বসেই বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিদিন ২০-২৫ মিনিট যোগব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি থাকবেন সম্পূর্ণ ফিট। এতে আপনি থাকবেন বিষণ্ণতামুক্ত এবং শরীরের ক্যালরিও পুড়বে।

৬. স্পোর্ট ক্লাব:
যে কোন স্পোর্ট ক্লাব যেটা আপনার ভালো লাগে, যেমন- ক্রিকেট, ফুটবল, টেবিল টেনিস, বাস্কেট বল ইত্যাদির যেকোনোটিতে যুক্ত হয়ে যান। এতে আপনার আত্মতৃপ্তির সাথে সাথে স্বাস্থ্যেরও ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে।

মুক্তামণির হাতে অর্ধেক জায়গায় চামড়া লাগল

রক্তনালির টিউমারে আক্রান্ত মুক্তামণির হাতে আবারও গ্রাফটিং করা হয়েছে। ঊরু থেকে চামড়া নিয়ে তার হাতে লাগানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকেরা।

অস্ত্রোপচার শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘মুক্তামণি ভালো আছে। তার হাতে মঙ্গলবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। ঊরু থেকে চামড়া নিয়ে হাতের ৫০ শতাংশ জায়গায় লাগানো হয়েছে। দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার হাতের অন্য জায়গাগুলোয় চামড়া লাগানো হবে।’

গত আগস্ট মাসে মুক্তামণির প্রথম অস্ত্রোপচার হয়। ডান হাত থেকে প্রায় তিন কেজি ওজনের টিউমার অপসারণ করেন চিকিৎসকেরা। ৮ অক্টোবর মুক্তামণির হাতে গ্রাফটিংয়ের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়।

সাতক্ষীরায় জন্মের দেড় বছর বয়স থেকে মুক্তামণির ডান হাতের সমস্যার শুরু। প্রথমে হাতে টিউমারের মতো হয়। ছয় বছর বয়স পর্যন্ত টিউমারটি তেমন বড় হয়নি। কিন্তু পরে তার ডান হাত ফুলে অনেকটা কোলবালিশের মতো হয়ে যায়। সে বিছানাবন্দী হয়ে পড়ে। মুক্তামণির রোগ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। গত ১১ জুলাই মুক্তামণিকে ভর্তি করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তামণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন।

১১টি সমস্যার সমাধান করবে ইসুবগুলের ভুষি!

ইসুবগুলের ভুষি তৈরি হয় Plant ago Ovate গাছের বীজ থেকে। এটি একটি প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভ। প্রতি ১০০ গ্রাম ইসুবগুলের ভুষিতে রয়েছে ৭১ গ্রাম দ্রবণীয় ডাইটারি ফাইবার।

১। কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করেঃ ইসুবগুলের ভুষি পাকস্থলীতে পানির সংস্পর্শে আসা মাত্র জেল তৈরি করে ও স্টুলের ভলিউম বৃদ্ধি করে কোষ্ঠবদ্ধতা দূর করে।

২। পেটের সমস্যা দূর করেঃ পাকস্থলী ঠাণ্ডা বা শীতল রাখতে ও হজমের সমস্যা দূর করতে ইসুবগুলের তুলনা নেই। পেটব্যথার উপশম করে ইসুবগুলের ভুশির শরবত। এছাড়াও আই বি এস এর সমস্যা সমাধানে ভাল ফল দেয় ইসুবগুলের ভুষি। যারা আমাশয়ে ভুগছেন, তাদের জন্যও ইসবগুল ভালো। যারা আমাশয়ে ভুগছেন, তাদের জন্যও ইসবগুল ভালো।

৩। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ আহার গ্রহণের ৩০ মিনিট পূর্বে ১০ গ্রাম ইসুবগুলের ভুষি এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খেলে, খাওয়ার সময় অতিরিক্ত খদ্য গ্রহণের ইচ্ছা প্রশমিত করে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকে।

৪। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ ইসুবগুলের ভুষি একটি হাইপোকোলেস্টেরলিক ফুড, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ কমায় ও ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বাড়ায়। এছাড়াও এটি রক্তে ট্রাই-গ্লিসারাইডের পরিমাণ কমায়। ফলে হৃদরোগ ঝুঁকি কমে।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি – ঠিকানা – YouTube.com/HealthBarta)

৬। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখেঃ ইসুবগুলের মাত্রাধিক দ্রবণীয় ডাইটারি ফাইবার আমাদের ক্ষুদ্রান্ত্রের খাদ্য শোষণ ভিলাইয়ের উপর এক জালকের সৃষ্টি করে ফলে ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজ শোষিত হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে থাকে।

৭। ডাইরিয়া কমাতেঃ ডাইরিয়ার সময় ইসুবগুলের ভুষি ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে অতিরিক্ত পানি শুষে নেয় ও স্টুলকে ঘন করে ও বারা বার টয়লেটে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।

৮। অর্শরোগেঃ কোষ্ঠবদ্ধতা অর্শরোগের প্রধান কারণ। তাই অর্শরোগীরা নিয়মিত ইসুবগুলের ভুষি খেলে ভাল উপকার পাবেন।

৯। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ যেকোনো কারণে প্রস্রাব হলুদ হয়ে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে, ইসবগুলের ভুসি তা সারাতে সাহায্য করে।

১০। যৌনতা বৃদ্ধি করতেঃ প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হালকা গরম দুধের সাথে মধু ও ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে শরবত তৈরি করে খেলে যৌনতা বৃদ্ধি পায়।

১১। হাত পা জ্বালাপোড়াঃ মাথা ঘোরা বা হাত- পা জ্বালাপোড়া হলে এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সাথে ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ব্যভহার করুন চন্দনের গুঁড়া

প্রাচীন কালে রূপ চর্চার অন্যতম একটি উপাদান ছিলো চন্দন। বিভিন্ন রকম কসমেটিক্স ও সুগন্ধীতে চন্দন ব্যবহৃত হয়। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় চন্দন বেশ উপকারী। এতে আছে অ্যান্টিব্যকটেরিয়াল উপাদান যা ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার ক্ষেত্রেও চন্দন বহুল ব্যবহৃত হতো।

আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ত্বকের যত্নে চন্দন ব্যবহারের কিছু নিয়ম-

– বলি রেখা দূর করে- চন্দন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান সমূহের সমন্বয়ে গঠিত যা আপনার মুখের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এর বিরোধী প্রদাহজনক এজেন্ট আছে, যা বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। চন্দন একটি চমৎকার অ্যান্টি-অ্যাজানিং উৎস হিসেবে পরিচিত।

– মুখের দাগ দূর করে- ডিমের কুসুম, মধু ও চন্দন গুঁড়া একসঙ্গে মিক্সড করে লাগালে মুখের দাগ দূর হয়। প্রতিদিন দুই চা চামচ চন্দনের গুঁড়ো ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই প্যাক মুখে লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এভাবে প্রতিদিন রাখলে মুখের দাগ দূর হবে ও ত্বক উজ্জ্বল হবে।

– উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায়- উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে সাদা চন্দন কাঠ ঘষা ১ চা চামচ নিন। আধা কাপ দুধের সাথে মিশিয়ে খালিপেটে পান করুন। এরপর ৭-৮টি তুলসীপাতা চিবিয়ে খান। কিছুক্ষণের মাঝেই উচ্চ রক্তচাপ কমে যাবে। নিয়মিত ২ থেকে ৩ মাস খেলে ব্রঙ্কাইটিস রোগেও উপকার পাওয়া যাবে।

– বলিরেখা দূর করে- নিয়মিত চন্দন ব্যবহারে ত্বকে বলিরেখা কম পড়ে এবং ত্বক দীর্ঘ দিন সজীব থাকে। সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন চন্দন গুঁড়ো, গোলাপ জল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আকর্ষণীয় নজরকাড়া ত্বকের জন্য নিয়মিত চন্দন ব্যবহারের জুড়ি নেই।

– তৈলাক্ত ত্বকে- তৈলাক্ত ত্বকের জন্য চন্দনের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে হাতে, পায়ে, মুখে ব্যবহার করা যায়। চন্দনের মধ্যে এমন আয়ুর্বেদিক গুণ আছে, যেটি ত্বককে আরও গভীরে গিয়ে পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

রক্তের অভাব দূর করতে আসছে কৃত্রিম রক্ত!

চিকিৎসাক্ষেত্রে অন্যতম একটি সমস্যা হলো রক্তের অভাব। বিভিন্ন কারণে রোগীদের রক্তের দরকার হয়, কিন্তু সে পরিমাণে রক্ত সহজে পাওয়া যায় না। অনেক দিন ধরে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম একটি সমস্যা হয়ে থেকেছে এই রক্তের অভাব। আর গবেষকেরাও অনেকদিন ধরেই খুঁজে চলেছেন বিকল্প রক্ত তৈরির উপায়। অবশেষে ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টল এবং NHS ব্লাড অ্যান্ড ট্রান্সপ্লান্টের গবেষকেরা এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছেন।

রেড ব্লাড সেল প্রচুর পরিমাণে তৈরির উপায় আবিষ্কার করেছেন তারা। কৃত্রিম রক্ত তৈরির প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই আছে কিন্তু তা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের মতো এত বেশী মাত্রায় উৎপাদনের উপায় ছিল না এতদিন। রক্ত তৈরির এসব উপায় তেমন একটা সুবিধার ছিল না। স্টেম সেল নিয়ে এর থেকে রেড ব্লাড সেল তৈরি করা হতো। এভাবে একবারে ৫০ হাজারের মতো সেল তৈরি করা যেত। কিন্তু রক্ত দেওয়ার জন্য ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন এমন সেল দরকার হয়, সেটা তৈরির উপায় ছিল না।

 নতুন এই প্রযুক্তি তৈরির করেছে পৃথিবীর প্রথম এরিথ্রয়েড সেল লাইন, যেগুলো একবারে প্রচুর পরিমাণে রেড ব্লাড সেল তৈরি করতে সক্ষম। গবেষকেরা দাবি করেছেন ইতোমধ্যেই তারা কয়েক লিটার রক্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে আটকে ফেলা হয় স্টেম সেল, এর ফলে তারা অমর হয়ে যায় বলা যায়। এই স্যাম্পল থেকে কিছু পরিমাণে নিয়ে রেড ব্লাড সেল তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।

নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণার একজন লেখক ছিলেন প্রফেসর ডেভ অ্যানস্টি। তিনি বলেন, “অনেটা সময় ধরেই রোগীদেরকে রক্ত দেওয়ার জন্য বিকল্প উপায় হিসেবে কৃত্রিম রক্ত উৎপাদনের চিন্তা করা হচ্ছিল। কৃত্রিম রক্তের প্রথম ব্যবহার হতে পারে দুর্লভ ব্লাড গ্রুপের মানুষদের ক্ষেত্রে।”

তবে যে কোনো নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যা হয়, এক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। এই প্রযুক্তির পেছনে খরচটা কম হবে না। সাধারণ রক্তের চাইতে এতে খরচ বেশী হবে তা বলাই বাহুল্য। তবে এর পরেও সাধারণ রক্ত দানের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে, সেই প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা এখনো দেখা যাচ্ছে না।