অন্যান্য
মিলারের উপর ভর করে বিপর্যয় থেকে রক্ষা দক্ষিণ আফ্রিকার। বৃষ্টি বিঘ্নিত ৪০ ওভারের ম্যাচে হ্যানরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে ১৩৯ রানের হার না মানা জুটি গড়ে লড়াইয়ের অবলম্বন এনে দেন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ১১০ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটা সংগ্রহ পায় ৪০ ওভারে ২৪৯ রানের।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৯ রান তুললেও ৭০ রানেই হারিয়ে ফেলে আরো দুটি উইকেট। ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন টেম্বা বাভুমা। মার্করামও ফিরেছেন ডাক মেরে। টপ অর্ডার থেকে ৪৮ রান আসে কুইন্টন ডি ককের ব্যাটে। তবে ৬৫ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন ক্লাসেন, ৬৩ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার।
২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে পা ফসকায় ভারত। ৮ রানেই হারিয়ে ফেলে ২ উইকেট। ১৬ বলে ৪ করে পার্নেলের শিকার শিখর ধাওয়ান, ৭ বলে ৩ করে বিদায় নেন শুভমান গিল। ৪০ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে যাবে, তখন ফের বিপদে পড়ে ভারত। এবার আক্রমণে স্পিনাররা। রিতুরাজকে ১৯ রানে উইকেট কিপারের শিকার বানান শামসি, কেশভ মহারাজের শিকার ২০ রান করা ইশান কিশান।
ভারতের একাদশে এদিন ছিলেন না ভারতের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের কেউ৷ শুধু রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে সুযোগ পেয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার ও রবি বিস্নুই। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলকে পথ দেখান শ্রেইয়াস আইয়ার। স্যাঞ্জু স্যামসনের সাথে ৬৭ রানের জুটিতে ৫০ রানই তার। মাত্র ৩৬ বলে অর্ধশতক ছুঁতে শ্রেয়াসও ফিরে যান।
এরপরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন স্যাঞ্জু স্যামসন। শার্দুল ঠাকুরকে সাথে নিয়ে ১০৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন ভারতকে। ৩১ বলে ৩৩ করে ফিরে যান শার্দুল। পরের বলেই ফিরে যান কেদার যাদবও। শেষ ১৫ বলে ভারতের প্রয়োজন হয় ৩৫ রান। এর মাঝে ৬ বলে ৩ করে ফিরে যান আবেশ খানও। শেষ ওভারে তাই প্রয়োজন ৩০ রান।
হাল ছাড়েননি সাঞ্জু স্যামসন। শেষ চেষ্টা করেন নিজের সবটা দিয়ে। এক ছক্কা আর তিন চারে তুলেন ২০ রান। তবে শেষ পর্যন্ত হেরে যেতে হয় ৯ রানে। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০-তে এগিয়ে দক্ষিণ রইল দক্ষিণ আফ্রিকা।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।