পোস্টাল ভোট দিতে ১৩ লাখ নিবন্ধন, ৬ লাখ ব্যালট প্রেরণ

আগের সংবাদ

সমস্যাগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো হায়্যা আলাল ফালাহ

পরের সংবাদ

ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত; চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য খালাস বন্ধ

ঢাকা টেলিগ্রাফ

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২২ , ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ

দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে পূর্ব-মধ্যবঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্যবঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং একই এলাকায় (অক্ষাংশ : ১৭.০ ডিগ্রি উত্তর, দ্রাঘিমাংশ : ৮৮.২ ডিগ্রি পূর্ব) অবস্থান করছে।

আজ সোমবার ভোরে আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমানের সই করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৭) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি গতকাল রোববার দিনগত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ, অমাবশ্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জল্লোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :  https://bmd.gov.bd/bn/p/Special-Weather-Bulletin

এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোকে গভীর সাগরে চলে যাওয়ার নিদেশনা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে।

সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, জেটিতে এখন জাহাজ আছে পাঁচটি। এ ছাড়া বহির্নোঙরে ৬০টির মধ্যে ২৯টিতে পণ্য খালাস চলছিল। আপাতত পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অবস্থানরহ সব লাইটার জাহাজকে সদরঘাট ও শাহ আমানত সেতু এলাকায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।