সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

আগের সংবাদ

ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কবার্তা

পরের সংবাদ

গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণের কারণে ইসরায়েলকে জো বাইডেনের হুঁশিয়ারি

ঢাকা টেলিগ্রাফ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩ , ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ

গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণের কারণে ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিশ্বের সমর্থন হারাতে পারে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। খবর এএফপির।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের যোদ্ধারা ইসায়েলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে এক হাজার ২০০ লোক নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। এ ছাড়া হামাস ২৪০ জন লোককে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এরপর প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ করতে থাকে, যাতে প্রায় ১৮ হাজার ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

গত ১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া সাতদিনের যুদ্ধবিরতিতে হামাস ৮০ জন ইসরায়েলিসহ ১০৫ জন জিম্মিকে মুক্তি দেয়। বিনিময়ে ইসরায়েল তাদের কারাগার থেকে ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্ত করে দেয়।

এর আগে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে সংঘাতকে বাড়িয়ে দিলেও মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) কিছুটা সুর পাল্টেছেন জো বাইডেন।

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথে তার অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে।’ তবে, সংঘাত পরবর্তী গাজায় কীভাবে শাসনকাজ পরিচালিত হবে, তা নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন নেতানিয়াহু।

এদিকে, আজ যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৬৮তম দিনেও গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে আরও সাতজন নিহত হয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মঙ্গলবার এক ভোটাভুটিতে গাজায় অস্ত্রবিরতির দাবি জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলসহ ১০টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় এবং ২৩টি দেশ ভোট প্রদানে বিরত থাকে। নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ পরিষদে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।