অন্যান্য
বিএনপি গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, বাস লঞ্চে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। ওরা ধ্বংস করে, আর আমরা সৃষ্টি করি। ওরা ক্ষতি করে আর আমরা মানুষের কল্যাণ করি। বিএনপি আর আওয়ামী লীগের মধ্যে এটাই পার্থক্য বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রোববার বিকেলে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সাথে মিলে দেশে অগ্নিসন্ত্রাস করে দেশের ক্ষতি করেছে। এটা শুধু তাদের ধারাই সম্ভব। কেননা এ দলটির জন্ম হয়েছে অবৈধভাবে। যাদের মধ্যে মনুষ্যত্ব আছে তারা এসব হামলা করতে পারে না। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই উন্নয়ন করেছে।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশ করোনা ভ্যাকসিন ফ্রি দেয়নি। আমরা রিজার্ভের টাকা দিয়ে ভ্যাকসিন কিনেছি। কেননা জনগণের সেবা করাই আমাদের কাজ। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে এত বাজেট দিতে পারত না। তারা মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। অপারেশন ক্লিন হার্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। আল্লাহর রহমতে আমরা ক্ষমতায় আসতে পেরেছি বলে বিচার করতে পেরেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের কল্যাণ চাই, দেশের কল্যাণে আমরা কাজ করি। এই বাংলাদেশে বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি। দেশে ৩৫ বিলিয়ন রিজার্ভ আমাদের আছে। এখনো গুজব ছড়ানো হয়েছে। যারা এ কয়দিনে টাকা তুলতে গেছে সবাই টাকা পেয়েছে। আপনার টাকা তুলে বালিশের নিচে রাখবেন, সে টাকা চোরে নিয়ে যেতে পারে। অনেকের টাকা চোরে নিয়ে গেছে, তারা আবার ব্যাংকে টাকা জমা রেখেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি এলেই নিজেরা মানুষের টাকা মেরে খায়। বাংলাদেশে খাদ্যের কোনো অভাব নেই। আমরা খাদ্যের কোনো কষ্ট পেতে দিব না। মাংসসহ সব ধরনের খাদ্যের উৎপাদন বাড়িয়েছি। কিছুদিন আগে ঝড় হয়েছে, আমরা সাইক্লোন শেল্টারসহ সব করে দিয়েছি।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে মিছিলের নগরীতে রূপ নিয়েছে চট্টগ্রাম। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী। নেতাকর্মীদের গায়ে ছবি সম্বলিত নানা রঙয়ের গেঞ্জিতে পুরো জনসভাস্থল রঙিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া পলোগ্রাউন্ড মাঠের আশপাশ ছেয়ে গেছে ব্যানার আর পোস্টারে।
চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) পৌঁছান। সেখানে ৮৩তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের জন্য মিলিটারি একাডেমিতে যান তিনি। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। এরপর তিনি চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে দুপুর ৩টার দিকে জনসভায় যোগ দেন।
এই উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকে জনসভাস্থলে জড়ো হন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে তারা পলোগ্রাউন্ড মাঠে আসেন।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।