পোস্টাল ভোট দিতে ১৩ লাখ নিবন্ধন, ৬ লাখ ব্যালট প্রেরণ

আগের সংবাদ

সমস্যাগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো হায়্যা আলাল ফালাহ

পরের সংবাদ

মেয়র পদে ফিরতে জাহাঙ্গীরের অপেক্ষা আরও বাড়ল

ঢাকা টেলিগ্রাফ

প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৩ , ৮:০০ অপরাহ্ণ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জারি করা রুলের রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়েন আদালত। নতুন করে রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের নতুন দিন ধার্য ও নির্দেশনা দেন।

আদালত বলছেন, ‘আমরা পরবর্তী শুনানি ও রায়ের জন্য ২ মে দিন রাখছি। তবে, শুনানির ধারাবাহিকতায় রায় ৩ মে-তে যেতে পারে।’ এতে করে মেয়র পদে ফিরতে জাহাঙ্গীরের অপেক্ষা আরও বাড়ল।

নির্বাচনের আগেই জাহাঙ্গীরের বহিষ্কারের বৈধতা নিয়ে রায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চ। এমনকি, আসন্ন নির্বাচনে জাহাঙ্গীরের মনোনয়নপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তা দেখবেন বলে মৌখিকভাবে আশ্বস্ত করেছেন হাইকোর্ট।

আদালতে জাহাঙ্গীরের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এম কে রহমান। আর গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সানজিদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আদালত রিটের রুলের পরবর্তী শুনানি শুনানি ও রায়ের জন্য ৩ মে দিন ধার্য করলে জাহাঙ্গীরের আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, ‘এর মধ্যে তো আগামী নির্বাচনের মনোনয়ন জমার সময় শেষ হয়ে যাবে। এতে করে আমার মক্কেলের মনোনয়নপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।’ তখন হাইকোর্ট বলেন, ‘যেহেতু ৬ তারিখ থেকে সুপ্রিম কোর্টের ছুটি শুরু, তাই আমরা পরবর্তী শুনানি ও রায়ের জন্য ২ মে দিন দিন রাখছি। তবে, শুনানির ধারাবাহিকতায় রায় ৩ মে-তে যেতে পারে। এরপর রায়ের দিন আর পরিবর্তন হবে না।’ পরে আজকের শুনানি শেষ হয়।

এর আগে গত বছরের ২৩ আগস্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘জাহাঙ্গীর আলমকে যেসব অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে সেগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।’

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘যে অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগেও একই অভিযোগ আনা হয়েছিল। তখন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়নি।’

গত বছরের ১৪ আগস্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জাহাঙ্গীর আলম পদ ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে তাকে সাময়িক বরখাস্তের আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।

২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওদিন নিজ দপ্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।