পোস্টাল ভোট দিতে ১৩ লাখ নিবন্ধন, ৬ লাখ ব্যালট প্রেরণ

আগের সংবাদ

সমস্যাগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো হায়্যা আলাল ফালাহ

পরের সংবাদ

ডিআইজি মিজান সহ চার আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১৪ মে

ঢাকা টেলিগ্রাফ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৩ , ৬:০০ অপরাহ্ণ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চার আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার (১২ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে মামলার বাদী দুদকের পরিচালক মনজুর মোর্শেদকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মিজান ছাড়া অপর আসামিরা হলেন—তাঁর স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ওরফে রত্না রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান। মাহমুদুল হাসান রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আদালতে আজ আসামি মিজান ও তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে হাজির করা হয়। তবে, সোহেলিয়া আনার রত্না ও মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

২০১৯ সালের ২৪ জুন মিজানুর রহমান, তাঁর স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদকের পরিচালক মনজুর মোর্শেদ। তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার ২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ মামলা করা হয়েছে। ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি এই মামলায় মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার বাদী।

২০২০ সালের ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। এ সময় মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেপ্তারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। পরের দিন ডিআইজি মিজানের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারিতে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ২৫ জুন মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।