প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের বিডিং শুরু।
রোববার (২১ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে কোম্পানিটির বিডিং শুরু হয়ে চলবে ২৪ এপ্রিল (বুধবার) বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
সোমবার (০১ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এর আগে চলতি বছরের গত ৭ মার্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) টেকনো ড্রাগস লিমিটেডকে আইপিওর অনুমতি দেয়।
প্রসপেক্টাসে দেওয়া তথ্য অনুসারে, আইপিওর মাধ্যমে টেকনো ড্রাগস বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, বিএমআরই (নরসিংদী ফ্যাক্টরি), ভবন নির্মাণ (গাজীপুর ফ্যাক্টরি), আংশিক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।
কোম্পানিটির ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৭ টাকা ৭৪ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ২২ টাকা ৫৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, বিগত পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে কোম্পানিটির যা ৩ টাকা ২৫ পয়সা।
আজ থেকে শুরু হওয়া চারদিনের নিলামের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস বা দামের প্রান্তসীমা নির্ধারিত হবে। এ দামে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করবে কোম্পানিটি। অন্যদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হবে কাট-অব প্রাইস বা প্রান্তসীমা মূল্যের ৩০ শতাংশ কমে শেয়ার ইস্যু করবে।
বর্তমানে কোম্পানির মোট মূলধন প্রায় ৯৪ কোটি টাকা যার মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর ৬৩% সহ পরিচালন পর্ষদের কাছে ৮৮% শেয়ার রয়েছে।
টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ২০০৯ সালে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয় এবং ২০১৯ সালে প্রাইভেট কোম্পানি থেকে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড শুরু থেকেই উন্নতমানের বিশেষায়িত ওষুধ উৎপাদন ও বিতরণ করে আসছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক একজন ফামার্সিস্ট। তিনি এবং দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাত্তোকত্তর। কোম্পানির ডিরেক্টর মেহেরিন আহমেদ Oncology তে পিএইচডি সম্পন্ন করেছে। তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তা কর্মচারিরা কোম্পানিতে দক্ষতার সাথে কাজ করছে।
আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে কারখানার সম্প্রসারণ করা হলে কোম্পানিটির রাজস্ব ও নিট মুনাফা বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।