পোস্টাল ভোট দিতে ১৩ লাখ নিবন্ধন, ৬ লাখ ব্যালট প্রেরণ

আগের সংবাদ

সমস্যাগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো হায়্যা আলাল ফালাহ

পরের সংবাদ

শখে শুরু, ১২ দিনে লাখপতি মৌ!

admin

প্রকাশিত: আগস্ট ২৩, ২০২১ , ৮:০০ অপরাহ্ণ

২০২০ সালের মার্চ থেকে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। শুরুটা শখের বশে হলেও এখন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। মেয়েদের পোশাক বেচে অল্প দিনেই বনে যান লাখপতি। তাঁর অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান—এমজে ফ্যাশন মার্ট।

সম্প্রতি এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের। জানান নিজের উদ্যোক্তা-জীবনের কথা। কেমন আছেন, কুশল জানতেই মৌ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো আছি। আমার ব্যস্ততা সংসার, সন্তান আর উদ্যোগ নিয়ে। ২০২০ সাল থেকে আমার উদ্যোগের যাত্রা শুরু। ২০১৩ সালে অনলাইন থেকে কেনাকাটা শুরু করি। কখনও ভাবিনি অনলাইনে কিছু করব। আমার শুরুটা শখের বশে ছিল। সবাইকে দেখতাম আর চিন্তা করতাম আমিও অনলাইনে কিছু একটা করব। তার পর ২০২০ সালে কাজে নেমে পড়ি।’
সফল উদ্যোক্তা সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি : সংগৃহীত

করোনাকালের শুরুর দিকে মৌয়ের শুরু। তাঁর ভাষ্যে, ‘তখন করোনায় সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। বাসায় বসে চিন্তা করলাম অনলাইনে কিছু একটা করি। ২০২০ সালের মার্চ থেকে আমি বিজনেস শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, শুরু থেকে অনেক সাড়া পেয়েছি এবং উই-এ (উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম) আমি প্রথম ১২ দিনে লাখপতির খাতায় নাম লিখিয়েছিলাম।’

মৌ মূলত দেশি পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। নারীর পোশাক মেলে তাঁর এমজে ফ্যাশন মার্টে। দেশীয় পোশাক যেমন ব্লক, বাটিক, মনিপুরি, জামদানি নিয়ে কাজ করছেন। গেল দেড় বছরে প্রায় ২৭ লাখ টাকার পোশাক বেচেছেন মৌ।

পরিবার থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন? সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমার পরিবার আমাকে অনেক সাপোর্ট করছে। আমি যখন উদ্যোগ শুরু করি তখন আমার বেবি অনেক ছোট ছিল। অনলাইনে অনেক অ্যাকটিভ থাকতে হতো। যখন আমি কাজে ব্যস্ত থাকতাম আমার শ্বশুর ও স্বামী বেবিকে সময় দিত আর আমি কাজ করতাম। পরিবারের শতভাগ সাপোর্ট ছিল বলেই আজ আমি উদ্যোক্তা হতে পেরেছি। আমার শ্বশুর নিজের কাজ রেখে আমার ছেলেকে দেখাশোনা করতেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুব ভাগ্যবতী এমন পরিবারের বউ হতে পেরে।’

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।