অন্যান্য
যেকোনো প্রথমের আমেজ আলাদা। নাসুম আহমেদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট ছিল ফিন অ্যালেন (২৮ মার্চ, হ্যামিল্টন)। এই বাঁহাতি হার্ডহিটার ওপেনার নাসুমের কাছে তাই বিশেষ কিছু। চলমান সিরিজে প্রথমবার খেলতে নামা (তৃতীয় ম্যাচে) অ্যালেনের উইকেট নিতে খুব চেষ্টা করেছিলেন নাসুম। পারেননি। পরের ম্যাচেই অ্যালেনকে শিকার করে মনের আশা মেটালেন। ম্যাচ শেষে সেই ইচ্ছাপূরণের কথা জানালেন নাসুম। সঙ্গে পাওয়ার প্লে-তে বল করার অভ্যস্ততা গড়ার কথাও জানালেন।
নিউজিল্যান্ডে অভিষেক সিরিজটি ভালো না কাটলেও দেশের মাটিতে দারুণ করছেন নাসুম। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুই সিরিজেই শুরুতে বল হাতে ওঠে তার। বিষয়টি এখন উপভোগ করছেন এ স্পিনার। সবার সমর্থনে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে গেছে। তাই চাপ না নিয়ে এখন জায়গামতো বল করাতেই নজর দেন নাসুম, ‘আসলে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়েছি কিনা জানি না। তবে দল থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছি। বিশেষ করে অধিনায়ক ও অভিজ্ঞরা আমাকে অনেক সমর্থন করছেন। আর এতে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। আর কোচও আমাকে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাজ করেন। পাওয়ার প্লে-তে বল করতে এখন আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এতে আমি চাপবোধ করি না। আমাকে বলা হয় না যেÑ তুমি আমাকে একটা উইকেট বের করে দাও। জাস্ট আমার মতো বোলিং করার জন্য বলা হয়। আমিও চেষ্টা করি যত কম রান দেওয়া যায় বা পাওয়ার প্লে-তে যত কম রান দিতে পারি ওই রকম ডট বল করে যাই, সেই চেষ্টা থাকে আমার।’
৫ ম্যাচ মুখোমুখি হয়ে দুবার অ্যালেনকে ফিরিয়েছেন নাসুম। আর এ সিরিজেই তিনবার ফিরিয়েছেন ডি গ্র্যান্ডহোমকে। তবুও অ্যালেনের উইকেট তার কাছে বিশেষ। কাল বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে কীভাবে অ্যালেনকে আউট করলেন তা জানিয়ে নাসুম বলেন, ‘গ্র্যান্ডহোমকে তিনবার আউট করলাম। কিন্তু অ্যালেনের উইকেটটাই আমার কাছে বেশি ভালো লাগছে। ও রিভার্স সুইপ করতে চাচ্ছিল, রিয়াদ ভাই বললেন যেন আমি আস্তে বল ছাড়ি। কিন্তু আমি যখন দেখলাম ওই ডেলিভারিতে সে আগেই স্টান্স পাল্টেছে, তখন বলটা খুব জোরে করেছি, আর ও মিস টাইম করেছে।’
নাসুম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা বুঝে গেছেন। জানেন উইকেট যেমনই হোক সেখান থেকে সুবিধা আদায় করা শিখতে হবে। তাই বাড়তি কিছু না ভেবে এক জায়গায় বল করার দিকে নজর দিচ্ছেন, ‘আসলে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমাকে যেকোনো উইকেটেই বল করতে হবে। ফ্ল্যাট হোক বা টার্নিং, যাই হোক ভালো করতে হবে, পরিস্থিতি অনুযায়ী বল করে যেতে হবে। আমার চেষ্টা থাকে যতটা পারি এক জায়গায় বল ফেলে ভালো করা যায়।’
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।