সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাছের ৬ দিনের রিমান্ডে

আগের সংবাদ

ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কবার্তা

পরের সংবাদ

খুলনায় সরবরাহ থাকলেও কমছে না সবজির মূল্য

admin

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১ , ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

খুলনা জেলায় পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সিন্ডিকেটের কারণে কমছে না সবজির মূল্য। তবে বেড়েছে পেঁয়াজের মূল্য। দাম নিয়ন্ত্রনে না আসায় বিপাকে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে তিন টাকা।

গতকাল শনিবার নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে মানভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, কুশি ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, কাকরল ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মূলা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, কাঁচাকলা প্রতিহালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

সপ্তাহখানেক মানভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, কুশি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু ২০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাকরল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁচাকলা প্রতিহালি ৪০ টাকা, কচুরমুখি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

নগরীর ময়লাপোতায় কেসিসি’র সন্ধ্যা বাজারের ব্যবসায়ি কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারে সবজির সরবরাহ আছে। তবে সবজির স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে বলে জানান তিনি। অপর ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ‘সবজির সরবরাহ থাকলেও এক সপ্তাহ ধরে দামের কোনো পরিবর্তন নেই। সন্ধ্যা বাজারে আসেন শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী। তিনি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে সবজির দাম একই অবস্থা বিরাজ করছে।

দামের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। বাজার দর মনিটরিং ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। তবে বাজার দর মনিটরিং ব্যবস্থা যদি করা হতো তাহলে দাম হয়তো স্বাভাবিক অবস্থায় নেমে আসতো।’ নগরীর নতুন বাজার এলাকার ব্যবসায়ি মোঃ জসীম উদ্দিন বলেন, সবজির সরবরাহ আছে। দাম স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। পেঁয়াজের দাম তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি অন্তত তিন টাকা বেড়েছে। বাজারে আসেন রূপসা স্ট্যান্ড রোডস্থ এলাকার মোঃ আবু জাফর। তিনি বলেন, সবজির দাম স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও পেঁয়াজের দাম ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। পেঁয়াজের মূল্য কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তিনি।

ক্ষোভ করে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোজ্য সয়াবিনের দাম অনেক বেশি। ভোজ্য তেলের দাম যাতে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে এ ব্যাপারে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আরো বলেন, তিনি ও মশুুর ডালের বাজারও গরম। এই দুু’টি পণ্যের দাম যাতে ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আসে এ ব্যাপারেও তিনি সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি কামনা করেছেন।ভ্রাম্মান অভিযান চলিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রনে আনতে না পারাই সাধারন মানুষের কষ্ঠের শিমা নেই।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।