পোস্টাল ভোট দিতে ১৩ লাখ নিবন্ধন, ৬ লাখ ব্যালট প্রেরণ

আগের সংবাদ

সমস্যাগ্রস্থ পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলো হায়্যা আলাল ফালাহ

পরের সংবাদ

সাপ্লাই বন্ধ করলে মিল বন্ধ করে দেওয়া হবে- বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা টেলিগ্রাফ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪ , ৮:১৬ অপরাহ্ণ

বাজারে নিত্যপণ্যের সাপ্লাই বন্ধ করে সংকট সৃষ্টির চেষ্টা হলে, আমদানিকারক যত শক্তিশালীই হোক সেই মিলের গেট ও সংশ্লিষ্ট দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, কোনো মিল যদি সাপ্লাই বন্ধ করে, তার গেট বন্ধ হয়ে যাবে। সরবরাহে যদি কেউ অন্তরায় সৃষ্টি করে, পরিষ্কারভাবে বলতে চাই আমদানিকারক যত শক্তিশালীই হোক, ওই দোকান বন্ধ হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশে ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাতুনগঞ্জের পুরনো ঐতিহ্য আছে। এখানকার ব্যবসায়ীরা শত শত বছর ধরে সুনামের সঙ্গে সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করছেন। আমি চাই, খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা সেই ঐতিহ্য ধরে রাখুন। একটা খাতুনগঞ্জ গড়ে উঠতে শত শত বছর লেগেছে। কিন্তু ধ্বংস করতে সাতদিনও লাগবে না। সুতরাং ব্যবসায়ীদের বলবো, স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে। পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে।

পুলিশ কিংবা ভোক্তা অধিকার দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কখনো সম্ভব নয় মন্তব্য করে আহসানুল ইসলাম বলেন, পণ্য সরবরাহ ঠিক না থাকলে দাম বাড়বে, এটাই বাজারের ধর্ম। প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ ও পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বসে বাজার সম্পর্কিত তথ্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অপপ্রচার রোধে বড় হাতিয়ার হচ্ছে যৌক্তিক মূল্যতালিকা প্রচার।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব নিত্যপণ্য আছে, সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করার ক্ষমতা সরকারের আছে। যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য আছে, ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে সেগুলোর মূল্য নির্ধারণ করে আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা জানিয়ে দেবো।

‘বাজারে প্রতিযোগিতা থাকবে, প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ হবে। প্রতিযোগিতা না থাকলে বাজারে পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। টিসিবি প্রয়োজনে নিজে আমদানি করবে, আমদানি করে বাজারে সরবরাহ ঠিক রাখবে। এসেনশিয়াল কমোডিটি নিয়ে সরকার কারও কাছে জিম্মি হতে চায় না, কাউকে জিম্মি করতে দেবেও না’- বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এফবিসিসিআই ও খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, ভোক্তা অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছগির আহমেদ সভায় বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ঢাকা টেলিগ্রাফ এর দায়ভার নেবে না।